অনলাইন ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শেষ হলে মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও গোয়েন্দা স্থাপনার সংখ্যা কমানোর বিষয়ে নীরবে আলোচনা শুরু করেছেন মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। প্রায় দুই দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার পর নতুন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে তুলনামূলক ছোট পরিসরের উপস্থিতির দিকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে বলে ছয়টি সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব আলোচনা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা সরাসরি নির্দেশের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বরং কর্মকর্তারা সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও সামরিক অবস্থান কী হতে পারে, তা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের অবসান ঘটাতে ট্রাম্প প্রশাসন সফল হলে এ ধরনের পরিবর্তন বাস্তবায়িত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী
হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা অবকাঠামো ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়। আল-কায়েদার বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়ায় সামরিক অভিযান এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে স্থায়ী ঘাঁটি, গোয়েন্দা স্থাপনা ও অন্যান্য সামরিক অবকাঠামো গড়ে তোলে। তবে এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অনেকটাই নির্ভর করছে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত কীভাবে শেষ হয় এবং ট্রাম্প প্রশাসন পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নীতি কীভাবে নির্ধারণ করে তার ওপর। সিএনএন
Rubel Ahmed